x

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

মগনামায় রুপাইখাল থেকে তিনটি কৃত্রিম বাঁধ অপসারণ, স্বস্তিতে এলাকাবাসী

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


খোরশেদুল ইসলাম,পেকুয়া:

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের প্রবাহমান রুপাইখাল থেকে তিনটি বড় আকারের অবৈধ কৃত্রিম বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে খালে পানি আটকে মাছ শিকারে ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি জাল, কংকরের পিলার, গাছের খুঁটিও জব্দ করা হয়েছে। এ অভিযানের ফলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের আশায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। এটি ছিল বাঁধ অপসারণ অভিযানের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম।

ইউনিয়ন পরিষদের সূত্রে জানা গেছে, মগনামা ইউনিয়নের সরকারি ছোট-বড় খালগুলোতে বর্তমানে প্রায় ৫৮টি কৃত্রিম বাঁধ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে পানি আটকে মাছ শিকার করে আসছিল। এতে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হয়ে ইউনিয়নের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই এসব বাঁধের কারণে বাড়িঘর, চিংড়িঘের, ফসলি জমি ও ক্ষেতখামার তলিয়ে যায়। সাম্প্রতিক বন্যাতেও মগনামার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয় এবং পানি নিষ্কাশনে বাধা থাকায় দীর্ঘসময় জলাবদ্ধতা স্থায়ী হয়। এখনও ইউনিয়নের কিছু এলাকায় পানি জমে রয়েছে।

সম্প্রতি বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ খালের ওপর নির্মিত সব অবৈধ বাঁধ অপসারণের কঠোর নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার রুপাইখালের ওপর নির্মিত মোজাম্মেল হকের একটি বাঁধ এবং শাহাব উদ্দিন ও আবুল হোসেনের নামে পরিচিত আরেকটি বাঁধ অপসারণ করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, অভিযান চলাকালে শাহাব উদ্দিন, আবুল হোসেন, আবুল বশর, রমজান আলী ওরফে মিয়া উদ্দিনসহ কয়েকজন ব্যক্তি বাঁধ অপসারণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় অভিযানে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হলেও চেয়ারম্যানের কঠোর অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত বাঁধগুলো অপসারণ করা হয়।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, খালের ওপর অবৈধভাবে নির্মিত এসব কৃত্রিম বাঁধ বছরের পর বছর ধরে জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তারা দ্রুত অবশিষ্ট সব বাঁধ অপসারণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক, প্যানেল চেয়ারম্যান বদিউল আলম, ইউপি সদস্য আমির উদ্দিন, মোকতার আহমদ, গ্রাম পুলিশের সদস্য ও গনমাধ্যমকর্মী সহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা পর্যায়ক্রমে খালের ওপর নির্মিত  অবৈধ কৃত্রিম বাঁধ অপসারণ করছি। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থের কাছে জনস্বার্থকে জিম্মি হতে দেওয়া হবে না। পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং জলাবদ্ধতা দূর করতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। যারা সরকারি খাল দখল করে বাঁধ নির্মাণ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।


This theme has been developed by OURISLABD.
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন