পেকুয়ায় বিয়ের ৫ মাসের মাথা নববধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার! পরিবারের দাবি হত্যাকান্ড
খোরশেদুল ইসলাম,পেকুয়া:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মোড়ারপাড়া এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত কাজল রেখা ওই এলাকার রাজু ইসলাম রানার স্ত্রী এবং পেকুয়া পৌরসভার গোঁয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিমউদ্দিনের মেয়ে। ঘটনার পর থেকে গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ মাস আগে রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে কাজল রেখার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন ছিল বলে অভিযোগ স্বজনদের। নিহতের ভাই রাকিবুল ইসলাম বকুল জানান, ১৫ দিন আগে তার বোন বাবার বাড়িতে চলে এসেছিলেন। গত শুক্রবার বিকেলে তিনি শ্বশুরবাড়ি ফিরে যান। শনিবার দুপুরে জামাই রাসেল ভিডিও কলে তাদের জানান যে, কাজল রেখা আত্মহত্যা করেছেন।
রাকিবুল ইসলাম বকুল অভিযোগ করে বলেন, "আমার বোন আত্মহত্যা করতে পারে না। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমার বোন যাওয়ার সময় বলেছিল, সেখানে গেলে তাকে মেরে ফেলা হবে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।
নিহতের পিতা জসিমউদ্দিন বলেন, "মেয়েকে হত্যা করে এখন আত্মহত্যার নাটক সাজানো হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে তারা সবাই পলাতক, এতেই সন্দেহ আরও জোরালো হচ্ছে।
এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মোড়ারপাড়া এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত কাজল রেখা ওই এলাকার রাজু ইসলাম রানার স্ত্রী এবং পেকুয়া পৌরসভার গোঁয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিমউদ্দিনের মেয়ে। ঘটনার পর থেকে গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ মাস আগে রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে কাজল রেখার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন ছিল বলে অভিযোগ স্বজনদের। নিহতের ভাই রাকিবুল ইসলাম বকুল জানান, ১৫ দিন আগে তার বোন বাবার বাড়িতে চলে এসেছিলেন। গত শুক্রবার বিকেলে তিনি শ্বশুরবাড়ি ফিরে যান। শনিবার দুপুরে জামাই রাসেল ভিডিও কলে তাদের জানান যে, কাজল রেখা আত্মহত্যা করেছেন।
রাকিবুল ইসলাম বকুল অভিযোগ করে বলেন, "আমার বোন আত্মহত্যা করতে পারে না। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমার বোন যাওয়ার সময় বলেছিল, সেখানে গেলে তাকে মেরে ফেলা হবে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।"
নিহতের পিতা জসিম উদ্দিন বলেন, মেয়েকে হত্যা করে এখন আত্মহত্যার নাটক সাজানো হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে তারা সবাই পলাতক, এতেই সন্দেহ আরও জোরালো হচ্ছে।"
এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।"
ওসি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Post a Comment