শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

পেকুয়ায় অন্তঃসত্ত্বা নারীকে উঠান থেকে টেনে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

চমেক হাসপাতালে রেফার, রাতে ইট ফেলে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

খোরশেদুল ইসলাম, পেকুয়া:
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের পালাকাটা এলাকায় তসলিমা বেগম (২৫) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে বাড়ির উঠান থেকে টেনে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিবারের দাবি, হামলার পর তার গর্ভজাত সন্তানের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে রেফার করা হয়।

গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজাখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পালাকাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত তসলিমা বেগম ওই এলাকার ছৈয়দ হোসেনের স্ত্রী। ছৈয়দ হোসেন পালাকাটা এলাকার গোলাম হয়দারের ছেলে।

পরিবারের অভিযোগ, তসলিমা বেগম ছৈয়দ হোসেনের বাড়ির উঠানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দস্তগীর, দিলোয়ারা বেগম, মোহসেনা, হাসান আরা ও লায়লা তাকে টেনে নিয়ে মারধর করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা সবাই নুরুল আলমের সন্তান।

মারধরের একপর্যায়ে তসলিমা গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চমেক হাসপাতালে রেফার করেন।

রাতে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

এদিকে তসলিমাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকার সুযোগে প্রতিপক্ষের লোকজন রাতে ছৈয়দ হোসেনের জায়গায় ইট ফেলে দখলের চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবারটি।

এ সময় ছৈয়দ হোসেনের লোকজনের টেংরা ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় হাফেজ মোস্তাকের ছেলে মাসুম, নুরুল আলমের মেয়ের জামাই ছমিউদ্দীন এবং শিয়াবুল করিমের নাম পরিবারের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে।

তসলিমার স্বামী ছৈয়দ হোসেন বলেন, “আমার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। হামলাকারীরা তাকে বাড়ির উঠান থেকে টেনে নিয়ে মারধর করে। এ ঘটনায় আমার স্ত্রী ও অনাগত সন্তানের জীবন নিয়ে আমরা শঙ্কিত। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

পরিবারের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, ঘটনার পর থেকে তসলিমার শারীরিক অবস্থা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। একই সঙ্গে তার অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

This theme has been developed by OURISLABD.
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%