পেকুয়ায় চাচা-ভাতিজাকে কুপিয়ে জখম, হামলাকারী আটক
কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার প্রস্তাবিত ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাইম্যাখালী এলাকায় ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে চাচা-ভাতিজাকে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে মুবিন (৩০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা হামলাকারী মুবিনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
আহতরা হলেন—বাইম্যাখালী এলাকার মোহাম্মদ ওসমানের ছেলে ছোটন (১৭) এবং মৃত মনজুর আলমের ছেলে আসকর আলী (২৮)। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা। অভিযুক্ত মুবিন বারবাকিয়া ইউনিয়নের ফাঁসিয়াখালী এলাকার নুর হোসেনের ছেলে। তিনি বাইম্যাখালীতে নানার বাড়িতে বসবাস করতেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বাড়ির উঠানে চলাচলের সুবিধার্থে রাস্তার পাশে স্তূপ করে রাখা বালু সরিয়ে নেওয়ার সময় ছোটনের কাছে রাস্তায় বালু রাখার কারণ জানতে চান মুবিন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মুবিন তার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে ছোটনকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।
ছোটনের চিৎকার শুনে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন চাচা আসকর আলী। এ সময় মুবিন তাকেও কুপিয়ে জখম করেন, এতে আসকর আলীর হাত থেকে তিনটি আঙুল প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘটনার মাত্র ২০ মিনিট আগেও মুবিনকে পেকুয়া বাজারে হাতে ধারালো দা নিয়ে ঘুরতে দেখা গেছে। সে এলাকায় ‘মুবিন চোরা’ নামে পরিচিত এবং দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসেবন ও চুরির সঙ্গে জড়িত।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে হামলায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।
This theme has been developed by OURISLABD.