গোলরক্ষক সাঈদীর ওপর হামলা: পেকুয়ায় বিক্ষোভ, হামলাকারীদের বিচারের দাবি
খোরশেদুল ইসলাম, পেকুয়া:
কক্সবাজার জেলা ও মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীর ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবিতে কক্সবাজারের পেকুয়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে পেকুয়া প্রেস ক্লাবের সামনে উপজেলা ফুটবল খেলোয়াড় সমিতি ও পেকুয়া উপজেলা ফুটবল একাডেমির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাঈদী কক্সবাজার জেলা ও মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দলের নিয়মিত গোলরক্ষক। একজন ক্রীড়াবিদের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান।
পেকুয়া উপজেলা ফুটবল খেলোয়াড় সমিতির সভাপতি কামরান জাদিদ মুকুট বলেন, সাঈদী দীর্ঘদিন ধরে জেলা ও মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক হিসেবে খেলছেন। তার ওপর হামলায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচ্য হওয়া উচিত নয়। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে খেলোয়াড় ও ফুটবল একাডেমির সদস্যদের নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন তিনি।
সমিতি ও ফুটবল একাডেমির উপদেষ্টা সাংবাদিক মোহাম্মদ ফারুক বলেন, সাঈদী পেকুয়ার ক্রীড়াঙ্গনের গর্ব। একজন ক্রীড়াবিদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনি নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সমিতির উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন এমজারু বলেন, পেকুয়া স্পোর্টিং ক্লাব আয়োজিত গোলকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে সম্মিলিত উজানটিয়া খেলোয়াড় সমিতির গোলরক্ষক হিসেবে সাঈদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
ক্রীড়াবিদ মো. হারুণের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে পেকুয়া উপজেলা ফুটবল একাডেমির সহসভাপতি মো. আমিন, বাপ্পী, মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমির পরিচালক বিডিআর মোর্শেদ, ক্রীড়া সংগঠক আজম ইকবাল, নাসির উদ্দিন, বাচ্চু আনিস ও সাকিলসহ স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া পেকুয়ার কৃতি ফুটবলার হাসান, রাজু, হাবিব, আনিস কামাল, হাসান-২ ও মেহেদীসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফুটবলার, ক্রীড়ামোদী ও স্থানীয় বাসিন্দারা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
This theme has been developed by OURISLABD.