শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

পেকুয়ার মগনামায় ঝড়ের তাণ্ডব, দুই বসতঘর ও ৩ দোকান ক্ষতিগ্রস্ত

প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

খোরশেদুল ইসলাম, পেকুয়া:

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বাইন্যাঘোনা এলাকায় আকস্মিক ঝড়ের তাণ্ডবে দুটি বসতঘর ও তিনটি দোকান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের সময় প্রবল দমকা হাওয়ায় ঘরবাড়ি ও দোকানের টিনের চাল উড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ মগনামার বাইন্যাঘোনা এলাকায় ঝড় শুরু হয়। এ সময় আকাশে বজ্রের শব্দ শোনা যায় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই দমকা বাতাসের তীব্রতা বেড়ে যায়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝড়ের তাণ্ডবে বাইন্যাঘোনা এলাকার ছৈয়দ নুর ও ফোরকানের দুটি বসতঘর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই এলাকার ছিদ্দিক, আলী ও সাঁচির তিনটি দোকানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রবল বাতাসে এসব স্থাপনার টিনের চালসহ বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে বিকট শব্দের সঙ্গে দমকা হাওয়া শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই বাতাসের তীব্রতা বেড়ে গেলে বসতঘর ও দোকানের টিনের চাল উড়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয়রা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ব্যবসায়ীরা জানান, আকস্মিক ঝড়ে বসতঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।

মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, বাইন্যাঘোনা এলাকায় আকস্মিক ঝড়ে কয়েকটি বসতঘর ও দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর তিনি পেয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পাশাপাশি সরকারি সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দ্রুত নিরূপণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ব্যবসায়ীদের সরকারি সহায়তার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ জানা যায়নি।

This theme has been developed by OURISLABD.
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%