x

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

উজানটিয়া-রাজাখালীর খালে অবৈধ বাঁধ বহাল

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

             চরম হতাশায় উপকূলের হাজারো মানুষ

খোরশেদুল ইসলাম,পেকুয়া:

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ও রাজাখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খালে অবৈধ বেড়িবাঁধ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়নি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট ও কঠোর নির্দেশনা জারি করার পরও দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক তৎপরতা না থাকায় স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চরম হতাশা বিরাজ করছে।

সম্প্রতি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ও জলবায়ু সুরক্ষা সংক্রান্ত পর্যালোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছিল—উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিশ্চিতে খাল দখল করে নির্মিত সব অবৈধ বাঁধ অবিলম্বে উচ্ছেদ করতে হবে। নির্দেশনায় জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়।

তবে মন্ত্রীর এই কড়া হুঁশিয়ারির পরও উজানটিয়া ও রাজাখালী ইউনিয়নের ছবিটা পাল্টায়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, খালের বুক চিরে দেওয়া অবৈধ বাঁধগুলো আগের মতোই বহাল তবিয়তে রয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একশ্রেণির প্রভাবশালী চক্র ও ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট সরকারি খাল ভরাট ও বাঁধ নির্মাণ করে চিংড়ি ঘের পরিচালনা করছে। 

 স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে নষ্ট হচ্ছে শত শত একর ফসলি জমি।জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিক গতিপথ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে এলাকার প্রধান বেড়িবাঁধগুলো ভাঙনের চরম ঝুঁকিতে পড়ছে।

সবারবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ না হওয়ায় হতাশা গ্রাস করেছে সাধারণ মানুষকে। 

"স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে অবৈধ বাঁধ ভাঙার নির্দেশ দেওয়ার পর আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম। ভেবেছিলাম এবার হয়তো আমাদের জীবন-জীবিকা আর কৃষি জমি রক্ষা পাবে। কিন্তু প্রশাসনিক কোনো তৎপরতা না দেখে আমরা চরম হতাশ।"কাজী হারুনুর রশিদ, স্থানীয় বাসিন্দা, উজানটিয়া।

উচ্ছেদ অভিযান ঝুলিয়ে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানান, এলাকা ও খালের সঠিক সীমানা চিহ্নিতকরণ (ডিমারকেশন) এবং পর্যাপ্ত ফোর্স সমন্বয়ের কিছু বিষয় জড়িত থাকায় কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে খুব শিগগিরই উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে অভিযান শুরু হবে বলে তারা দাবি করেন।

প্রশাসনের এমন আশ্বাস সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের আস্থা মিলছে না। উপকূলের এই দুই ইউনিয়নের নদী-খাল রক্ষা এবং এলাকাকে জলাবদ্ধতার হাত থেকে বাঁচাতে দ্রুত বাস্তবায়িত উচ্ছেদ অভিযান দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুণছেন পেকুয়াবাসী।

This theme has been developed by OURISLABD.
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন