x

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

পেকুয়ায় গভীর রাতে পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

                 নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ লুটে নিল সাড়ে ৮ লাখ টাকা ও ১৭ ভরি স্বর্ণ

খোরশেদুল ইসলাম , পেকুয়া (কক্সবাজার):

কক্সবাজারের পেকুয়ায় গভীর রাতে এক সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। অস্ত্রের মুখে দুটি পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে চালানো এই দুর্ধর্ষ ডাকাতিতে নগদ সাড়ে ৮ লাখ টাকা এবং ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাত দল।

রবিবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে পেকুয়া পৌরসভার প্রস্তাবিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের (সদর ইউনিয়নের বর্তমান ৭ নম্বর ওয়ার্ড) আব্দুল হামিদ সিকদারপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি সৌদি প্রবাসী জমির আলম ও মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) রেজাউল করিমের যৌথ বাসভবন।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ইউপি সচিব রেজাউল করিম জানান, রাতে মোটরসাইকেল দেখার জন্য বাইরে বের হয়ে পাশের একটি দোকানে বসেছিলেন তিনি। রাত ৩টার দিকে একটি সাদা হাইয়েস মাইক্রোবাস দ্রুত এলাকা ত্যাগ করতে দেখেন। এর কিছুক্ষণ পরেই ৩-৪ জন অপরিচিত ব্যক্তি এসে অস্ত্রের মুখে তাকেসহ আরও দুজনকে কাছের একটি ফার্নিচারের দোকানে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে।

পরবর্তীতে তাকে জিম্মি করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রেজাউল করিম বলেন,

"বাড়িতে আগে থেকেই ৭-৮ জন মুখোশধারী ডাকাত অবস্থান করছিল। তারা পরিবারের সব সদস্যকে একটি কক্ষে আটকে রেখে চিৎকার করলে গুলি করার হুমকি দেয়। ডাকাতরা আমার কক্ষ থেকে নগদ সাড়ে ৬ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং বড় ভাই প্রবাসী জমির আলমের কক্ষ থেকে আরও আড়াই লাখ টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেয়।"

লুটপাট শেষে ডাকাত দল ব্র্যান্ডের মাইক্রোবাসে চড়ে ফাঁকা জায়গায় অস্ত্র উঁচিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।

রেজাউল করিমের স্ত্রী তাসফিয়া সোলতানা কাজল জানান, ডাকাতরা প্রায় ৪০ মিনিট ধরে পুরো বাড়িতে তছনছ চালালেও দোতলায় থাকা স্বজনরা শুরুতে কিছুই টের পাননি। ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার পর নিচে থাকা স্বজনদের চিৎকারে তারা নেমে আসেন।

প্রবাসী জমির আলমের স্ত্রী আমেনা বেগম আকুতি জানিয়ে বলেন, "অস্ত্রের মুখে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে আমার গলার চেইন ও কানের দুল খুলে নেওয়া হয়। এরপর আলমারির তালা ভেঙে ড্রয়ারে থাকা সব নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়।"

ঘটনার পর থেকে পুরো আব্দুল হামিদ সিকদারপাড়ায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দা তামিম হোছাইন জানান, এলাকায় একের পর এক সংঘবদ্ধ অপরাধের ঘটনা ঘটছে। কিছুদিন আগেই পাশের একটি বাড়ি থেকে অস্ত্রের মুখে ছয়টি গরু ছিনতাই করে নিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতকারীরা। তিনি অবিলম্বে ডাকাতদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানের দাবি জানান।

খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম বাহাদুর শাহ ঘটনাস্থলে যান।

ঘটনাটিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে এম বাহাদুর শাহ বলেন, "এ ধরনের সংঘবদ্ধ ডাকাতি এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং লুটে নেওয়া মালামাল উদ্ধারে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।"

This theme has been developed by OURISLABD.
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

Copy Disable