x

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

পেকুয়ায় সপ্তাহে অধিকাংশ সময়ে তালাবন্ধ থাকে ইউনিয়ন পরিষদ

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


               
 
                        পেকুয়ায় দুর্যোগকালে উজানটিয়ায় ইউপি কার্যালয়ে সেবা বন্ধ

খোরশেদুল ইসলাম, পেকুয়া:

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নে সাম্প্রতিক জলাবদ্ধতা ও দুর্যোগের মধ্যেও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সেবা। চরম দুর্ভোগের দিনে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় বন্ধ থাকা এবং ইউপি সচিবের অনুপস্থিতির কারণে জরুরি সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই সময়ে প্রত্যয়নপত্র, ওয়ারিশ সনদসহ অন্যান্য জরুরি সেবা পেতে আকস্মিকভাবে পরিষদে গিয়ে দরজায় তালা ঝুলতে দেখা যায়। সপ্তাহের অধিকাংশ সময়ই ইউপি সচিব কার্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না। ফলে নাগরিক সেবা নিতে এসে প্রতিদিন মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে উজানটিয়া ইউনিয়নের প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ এস এম নুরুল আখতার নিলয় জানান, “ইউপি সচিব কাগজপত্রে স্বাক্ষর করানোর জন্য আমার কাছে এসেছিলেন। হয়তো সে কারণেই আজ কার্যালয় বন্ধ ছিল। তবে জরুরি প্রয়োজনে সেবাগ্রহীতারা সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।”

তবে তিনি সপ্তাহে কতদিন সশরীরে ইউপি কার্যালয়ে উপস্থিত থাকেন—এমন প্রশ্নে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এই কর্মকর্তা।

অন্যদিকে ইউপি সচিব সাইফুল করিমের দাবি, তার সঙ্গে একজন কৃষি ট্যাগ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন যিনি ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুতের কাজ করছিলেন। পরিষদের গেট বন্ধ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা ডিগ্রি পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন।” এই কথা বলেই তিনি সংযোগ কেটে দেন।

প্রশাসক ও ইউপি সচিবের পরস্পরবিরোধী ও অসংলগ্ন বক্তব্যে স্থানীয়দের মনে আরও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তাদের মতে, কর্মকর্তাদের এমন বক্তব্যে ইউনিয়ন পরিষদের সঠিক কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ে স্পষ্ট বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা আতাউল করিম বলেন, “দুর্যোগের সময় ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় ভরসাস্থল। কিন্তু সপ্তাহের অধিকাংশ দিনই দিনের বেলায় পরিষদের গেট বন্ধ থাকে। নাগরিক সেবা নিতে এসে মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।”

সচেতন মহলের অভিযোগ, ইউনিয়নে নির্বাচিত কোনো প্রতিনিধি (চেয়ারম্যান) না থাকায় নাগরিকত্ব, চারিত্রিক, উত্তরাধিকার, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্সসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা পেতে সাধারণ মানুষকে চরম বেগ পোহাতে হচ্ছে। দুর্যোগকালীন এই সময়ে অবিলম্বে পরিষদে নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে এবং জনগণের ভোগান্তি নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।



This theme has been developed by OURISLABD.
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন