x

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

পেকুয়ায় রঙিখাল উদ্ধারে তৃতীয় দিনের উচ্ছেদ অভিযান: মুক্ত হচ্ছে ১৫ বছরের অবৈধ দখল, স্বস্তিতে ১০ হাজার মানুষ

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


 রেজাউল করিম রেজা, পেকুয়া (কক্সবাজার) :

পেকুয়া মগনামায়  দীর্ঘ ১৫ বছর পর প্রভাবশালী দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত হতে যাচ্ছে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার ঐতিহাসিক ‘রঙিখাল’। আজ বৃহস্পতিবার কৃত্রিম জলাবদ্ধতা নিরসন এবং খালটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে টানা ৩য় দিনের মতো বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দীন আহমদের সরাসরি নির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযানে আজ কাজির মার্কেট এলাকার একটি বড় অবৈধ বাঁধ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। খালের প্রবাহ ফিরতে শুরু করায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন মগনামা ইউনিয়নের অন্তত ১০ হাজার বাসিন্দা।

অভিযানস্থলে দাঁড়িয়ে নিজের দীর্ঘদিনের কষ্টের কথা তুলে ধরেন স্থানীয় গৃহিণী ফাতেমা বেগম (৪২)। তিনি বলেন, “এই বাঁধের কারণে এতদিন সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের ঘরবাড়ি ও ফসল ডুবে যেত। এমনকি কেউ মারা গেলে দাফন করার মতো শুকনো মাটি পর্যন্ত পাওয়া যেত না! খালের প্রবাহ ফেরায় এখন আমাদের জীবনযাত্রা ও রুটিরুজির পথ আবার উন্মুক্ত হবে।”

একই অনুভূতির কথা জানান স্থানীয় কৃষক শফিউল আলম (৫৫)। তিনি বলেন, “আজকের এই উচ্ছেদের ফলে রঙিখালে মাছ ধরে সাধারণ মানুষ আবার জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন। তবে শুধু বাঁধ কাটা নয়, আমাদের একটাই দাবি—সরকারি জমি যেন চিরতরে উদ্ধার করে রঙিখালটি দ্রুত পুনঃখনন করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে কোনো প্রভাবশালী আর এটি দখলের সাহস না পায়।”

প্রশাসন সূত্র জানায়, আজ বেলা ১১টায় মগনামা ইউনিয়নের কাজির মার্কেট ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় উপস্থিত থেকে উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইউনুস চৌধুরী। আজ যে বাঁধটি অপসারণ করা হয়, সেটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে নির্মাণ করে রেখেছিলেন স্থানীয় মৃত আক্তার কামালের ছেলে মানিক চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ব্রিটিশ আমলে খনন করা এই রঙিখালটি ছিল শুদ্ধখালী, এবাদুল্লা পাড়া, মৌলভীদিয়া, কালার পাড়া, বেদারবিল পাড়া ও কুদাইল্লাদিয়া এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান জলধারা। কিন্তু গত দেড় দশক ধরে প্রভাবশালী একটি চক্র খালের আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে মাছের ঘের ও খামার তৈরি করে সরকারি জমি দখলে রেখেছিল। ফলে বৃষ্টি হলেই ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কবরস্থান প্লাবিত হয়ে তৈরি হতো কৃত্রিম জলাবদ্ধতা।

আজ অভিযানকালে মগনামা ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইউনুস চৌধুরী জানান, “জনস্বার্থে কোনো দখলদারকে বিন্দুমাত্র ছাড় না দেওয়ার জন্য স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রঙিখালকে পুরোপুরি দখলমুক্ত না করা পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান থামবে না। এর আগে রাজনৈতিক চাপের কারণে চেষ্টা করেও এসব বাঁধ অপসারণ করা যায়নি। তবে বর্তমানে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণের লক্ষ্য নিয়ে আমরা মাঠে নেমেছি, যার মধ্যে আজ পর্যন্ত ১৩টি সফলভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।”

This theme has been developed by OURISLABD.
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন