সিগারেটের সেলসম্যানের আড়ালে কোটিপতি টেকনাফের ‘পেড়ু’: রয়েছে নিজস্ব সিন্ডিকেট ও ওয়াচপার্টি
বিশেষ প্রতিনিধি, টেকনাফ:
টেকনাফে সিগারেটের সেলসম্যানের আড়ালে ভয়ংকর মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে রশিদ আলম ওরফে পেড়ু নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। টেকনাফ সদরের কোনখার পাড়া এলাকার মৃত সোলতান আহমদের পুত্র এই রশিদ আলম এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে 'আঙুল ফুলে কলাগাছ' বনে যাওয়া এই মাদক কারবারির বিলাসী জীবনযাপন দেখে হতবাক স্থানীয় বাসিন্দারা।
অনুসন্ধানে ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক সূত্রের বরাতে জানা যায়, একসময় রশিদ আলম ওরফে পেড়ুর পরিবার ছিল সমাজের চরম নিম্ন আয়ের ভুক্তভোগী। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মতো অবস্থা ছিল তাদের। কিন্তু মাদক কারবারে জড়ানোর পর দ্রুতই বদলে যায় তাদের ভাগ্য। বর্তমানে পেড়ুর নামে-বেনামে রয়েছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। তার চড়াচড়ির জন্য রয়েছে কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল ‘এক্স নোহা’ গাড়ি।
স্থানীয়দের তথ্যমতে, টেকনাফের সমুদ্র উপকূল থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান খালাস করে রশিদ আলমের সিন্ডিকেট। এরপর সিগারেটের সেলসম্যানের ছদ্মবেশে সকাল ৭টা থেকে শুরু করে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে তার এই রমরমা মাদকের কারবার।
নিরাপদে মাদক পাচার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে রশিদ আলম ১০-১৫ জনের একটি সুসংগঠিত সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা টেকনাফ সদরের মেরিন ড্রাইভ ও কোনখার পাড়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সার্বক্ষণিক নজরদারি (ওয়াচপার্টি হিসেবে) রাখে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো অভিযান বা নড়াচড়া টের পেলেই রশিদ আলম ও তার সহযোগীরা দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে সটকে পড়ে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে রশিদ আলমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন এবং একপর্যায়ে ফোনের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। তবে এরপর বিভিন্ন মাধ্যমে এই চাঞ্চল্যকর সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রতিবেদকের কাছে নানামুখী সুপারিশ ও তদ্বির পাঠাতে থাকেন তিনি।
সম্প্রতি টেকনাফের বিভিন্ন শহরের পয়েন্টে হাত বাড়ালেই মিলছে হরেক রকমের মাদক, যা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সচেতন মহল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রশিদ আলম ওরফে পেড়ুর মতো ছদ্মবেশী সেলসম্যানদের কারণেই টেকনাফ থেকে ঢাকা পযন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাদক ছড়িয়ে পড়ছে। মাদক কারবারিদের সম্পদের উৎস ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে এই অবৈধ ব্যবসা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হতো বলে তারা মনে করেন।
এদিকে জেলা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফকে মাদকমুক্ত করতে এবং এই ধরণের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ইতিমধ্যেই বিশেষ অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।
সিগারেটের সেলসম্যানের আড়ালে কোটিপতি টেকনাফের ‘পেড়ু’: রয়েছে নিজস্ব সিন্ডিকেট ও ওয়াচপার্টি
বিশেষ প্রতিনিধি, টেকনাফ:
টেকনাফে সিগারেটের সেলসম্যানের আড়ালে ভয়ংকর মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে রশিদ আলম ওরফে পেড়ু নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। টেকনাফ সদরের কোনখার পাড়া এলাকার মৃত সোলতান আহমদের পুত্র এই রশিদ আলম এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে 'আঙুল ফুলে কলাগাছ' বনে যাওয়া এই মাদক কারবারির বিলাসী জীবনযাপন দেখে হতবাক স্থানীয় বাসিন্দারা।
অনুসন্ধানে ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক সূত্রের বরাতে জানা যায়, একসময় রশিদ আলম ওরফে পেড়ুর পরিবার ছিল সমাজের চরম নিম্ন আয়ের ভুক্তভোগী। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মতো অবস্থা ছিল তাদের। কিন্তু মাদক কারবারে জড়ানোর পর দ্রুতই বদলে যায় তাদের ভাগ্য। বর্তমানে পেড়ুর নামে-বেনামে রয়েছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। তার চড়াচড়ির জন্য রয়েছে কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল ‘এক্স নোহা’ গাড়ি।
স্থানীয়দের তথ্যমতে, টেকনাফের সমুদ্র উপকূল থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান খালাস করে রশিদ আলমের সিন্ডিকেট। এরপর সিগারেটের সেলসম্যানের ছদ্মবেশে সকাল ৭টা থেকে শুরু করে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে তার এই রমরমা মাদকের কারবার।
নিরাপদে মাদক পাচার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে রশিদ আলম ১০-১৫ জনের একটি সুসংগঠিত সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা টেকনাফ সদরের মেরিন ড্রাইভ ও কোনখার পাড়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সার্বক্ষণিক নজরদারি (ওয়াচপার্টি হিসেবে) রাখে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো অভিযান বা নড়াচড়া টের পেলেই রশিদ আলম ও তার সহযোগীরা দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে সটকে পড়ে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে রশিদ আলমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন এবং একপর্যায়ে ফোনের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। তবে এরপর বিভিন্ন মাধ্যমে এই চাঞ্চল্যকর সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রতিবেদকের কাছে নানামুখী সুপারিশ ও তদ্বির পাঠাতে থাকেন তিনি।
সম্প্রতি টেকনাফের বিভিন্ন শহরের পয়েন্টে হাত বাড়ালেই মিলছে হরেক রকমের মাদক, যা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সচেতন মহল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রশিদ আলম ওরফে পেড়ুর মতো ছদ্মবেশী সেলসম্যানদের কারণেই টেকনাফ থেকে ঢাকা পযন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাদক ছড়িয়ে পড়ছে। মাদক কারবারিদের সম্পদের উৎস ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে এই অবৈধ ব্যবসা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হতো বলে তারা মনে করেন।
এদিকে জেলা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফকে মাদকমুক্ত করতে এবং এই ধরণের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ইতিমধ্যেই বিশেষ অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।

Post a Comment