সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ
কক্সবাজারের পেকুয়ায় দাবিকৃত ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা না পেয়ে এক প্রবাসীর দীর্ঘ ৩০ বছরের ভোগদখলীয় বসতবাড়ি জবরদখল করার অভিযোগ উঠেছে, আপন দুই ভাইয়ের নেতৃত্বে একটি চক্র পেশীশক্তির জোরে বাড়িতে অনুপ্রবেশ করে তালা ভেঙে দখল করে নেয় বলে দাবি ভুক্তভোগীর।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে পেকুয়া বাজারে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের উত্তর সুন্দরীপাড়ার মৃত অলি আহমদের পুত্র প্রবাসী বশির উল্লাহ।
লিখিত বক্তব্যে বশির উল্লাহ জানান, ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি ওমান ও পাকিস্তানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে শ্রম দিয়ে উপার্জিত সমস্ত অর্থ পরিবারের পেছনে ব্যয় করেছেন,১৯৯৫ সালে পৈতৃক ভিটায় ৬ রুমের একটি পাকা দালান নির্মাণ করেন তিনি। প্রবাসে থাকাকালীন মেজো ভাই মোস্তাক আহমদের মাধ্যমে তিনি টাকা পাঠিয়ে বাড়িটি সম্পন্ন করেন।
নিজের অর্থে নির্মাণ করলেও তিনি অন্য ভাইদের থাকার জন্য সেখানে জায়গা দেন, পরবর্তীতে মোস্তাককে আলাদা বাড়ি ও দোকান করে দিয়ে শর্ত-সাপেক্ষে পুরো দালানটি বশির উল্লাহর আয়ত্তে আসে।
তিনি আরও জানান, ২০০৭ সাল থেকে তিনি পরিবার নিয়ে পেকুয়া সদরে বসবাস করলেও সুন্দরীপাড়ার ওই বাড়িটি দীর্ঘ সাত বছর ভাড়া দেওয়া ছিল এবং পরবর্তী সময়ে তালাবদ্ধ ছিল।
বশির উল্লাহর আরোও অভিযোগ করে বলেন, গত ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তাঁর ছোট ভাই নুর আহমদ (প্রকাশ গোল্ডেন নুরু) ও মেজো ভাই মোস্তাক আহমদ কোনো অনুমতি ছাড়াই বাড়ির তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। খবর পেয়ে তিনি সেখানে গেলে অভিযুক্তরা তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা চালায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বর্তমানে চক্রটি তাঁর কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করছে। চাঁদা না দেওয়ায় তাঁকে, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের পৈতৃক ভিটায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
ভুক্তভোগী প্রবাসী বলেন, "আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থানায় অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাইনি, দখলবাজরা প্রশাসন ও স্থানীয় বিচারব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করছে।" সংবাদ সম্মেলনে তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বিশেষ করে তিনি এই চাঁদাবাজ চক্রের হাত থেকে নিজের সম্পদ উদ্ধারে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার জরুরি সহযোগিতা চেয়েছেন।
এসময় পেকুয়ায় কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।





