খোরশেদুল ইসলাম:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় দীর্ঘবছরের ভোগদখলীয় জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
গত ১৮ এপ্রিল উপজেলার সদর ইউনিয়নের চৈরভাঙা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এঘটনায় একই এলাকার মৃত রশিদ আহমদের স্ত্রী শাহানা বেগম বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, চৈরভাঙা এলাকার মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে রমিজ উদ্দিন, মোক্তার আহমদের ছেলে মো.ওসমান, ইসমাঈল, ফারুক, আব্দুল করিমের ছেলে নাছির উদ্দিন, আমির হোছাইনের ছেলে খোকন,সোলাইমানের ছেলে নজরুল ইসলাম, আলী আহমদের ছেলে ওয়াজ উদ্দিন ও ওসমানের ছেলে সাকিব হোছেন কে বিবাদী করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মৃত লাল মোহাম্মদ গং এর মেহেরনামা মৌজায় আরএস ৫৩৪ নং খতিয়ানের ৯৫৮ নং দাগের ব/৩৫ এর ৩৫ শতক জমি বিবাদীরা দখল করে ঐ স্থানের শ্রেণী পরিবর্তন করে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে।
ওয়ারিশ সূত্রে রশিদ আহমদের ছেলে হাসান আলী ও আব্দুর রহিম খোকন বলেন, দীর্ঘবছর যাবৎ পরিবার নিয়ে আমরা ঐ জায়গায় বসবাস করে আসছি। সেখানে আমাদের ঘরবাড়ি,মুরগীর খামার,টিউবওয়েল, বিভিন্ন ফলের গাছসহ সীমানাপ্রাচীর ছিল। কিন্তু বিবাদীরা হঠাৎ সন্ত্রাসী কায়দায় রাতের আঁধারে আমাদের ঘরবাড়ি ভাংচুর করে সবাইকে আহত করে ঐ জায়গা দখলে নেয়। পরবর্তীতে শ্রেণী পরিবর্তন করে নিজেদের জায়গা বলে দাবি করে। সেই থেকে এখনো আমরা পরিবারের সকলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এবিষয়ে বিজ্ঞ আদালত, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়ে বহুবার সামাধানের চেষ্টা করে। কিন্তু তারা কখনো কাগজপত্র নিয়ে বসবে বলে বসে না।
মৃত ফজল করিমের ছেলে ছাবের আহমদ বলেন, আমার দাদা লাল মোহাম্মদ, মোহাম্মদ কালু, আব্দুল গণি, আব্দুল ওয়াদুদ, ওজির আলী, ফজর আলী, বুধা গাজী, নজর আলী মেহেরনামা মৌজার আরএস ৫৩৪ নং খতিয়ানের মালিক। তাদের মরণে আমরা ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হই। ১৯১০ সন থেকে আমার পূর্ব পুরুষরা স্থায়ীভাবে নালিশী জমি ভোগদখল করে আসছে। পরবর্তীতে বিএস জরিপের বিরুদ্ধে আমাদের বিজ্ঞ যুগ্ন জজ আদালতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা আছে যার অপর মামলা নং- ১৯/১৯৯৯ ইং। তারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বর্তামানে স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সে কোন সময় ঐ জায়গায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।





