স্বপ্নছোঁয়ার শেষ ফাইনালে মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমি
পেকুয়ার আলো-শাহরিয়ার ইবনে মোরশেদ।
শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথেই মাঠের সবুজ ঘাসে লুটিয়ে পড়লেন ফুটবলাররা। তবে তা ক্লান্তিতে নয়, বরং ইতিহাস গড়ার আনন্দে।প্রবাসী মিনিবার ফুটবল টুর্ণামেন্ট/২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচে মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমি বাবু স্পোর্টিং ক্লাবকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টের ফাইনালে জায়গা করে নিল।
মাঠের লড়াই:
খেলার নির্ধারিত ৫০ মিনিট ছিল উত্তেজনায় ঠাসা। প্রথমার্ধের শুরুর দিকে এলিট একাডেমির খেলোয়াড়রা অসাধারন নৈপূণ্য দেখালে ও বিপক্ষ টিমের গোল কিপারের পারফরমেন্সে গল বঞ্চিত থাকতে হয়।ম্যাচের সময় যতই বাড়তে থাকে ততই দুই দল খুবই সুন্দর খেলা উপহার দিতে থাকে দর্শকদের।মূল সময়ের ৫০ মিনিটে কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে।
টাইব্রেকারের রোমাঞ্চ:
পেনাল্টিতে স্নায়ুর লড়াইয়ে ও দুই দলের কোনটাই জয় বের করতে পারে নাই।দুই টিমের ২ মিস এবং তিন গোলে ট্রাইব্রেকারে ও ম্যাচটি ড্র হয়।টসের মাধ্যমে ফাইনালে ওঠার আনন্দে গ্যালারিতে থাকা এলিট একাডেমির সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।
এলিট একাডেমির পরিচালকের প্রতিক্রিয়া:
ম্যাচ শেষে একাডেমির পরিচালক মোরশেদ অত্র প্রতিবেদককে বলেন, "ছেলেরা আজ হৃদয়ের সবটুকু দিয়ে খেলেছে। আমাদের লক্ষ্য এখন ট্রফি। আমরা জানি ফাইনাল কঠিন হবে, কিন্তু এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস আকাশচুম্বী করে দিয়েছে।"
আগামী ফাইনালে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুনতাহা স্পোর্টিং ক্লাব এর মুখোমুখি হবে মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমি।
মাঠে অসাধারন নৈপূণ্যের জন্য এলিট একাডেমির নবীর হোসেন ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়।
ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কক্সবাজার রেফারি এসোসিয়েশনের সুনামধন্য রেফারি সালাউদ্দিন।
উক্ত ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইয়াছিন সোনালী বাজার সাজেদা বেগম বিদ্যাপীঠ।
This theme has been developed by OURISLABD.
