x

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

‎মগনামা ফুলতলা-কইড্যাবাজার সড়কের বেহালদশা এক কিলোমিটার জুড়ে দুর্ভোগের শেষ নেই

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

                             মগনামা ফুলতলা কইড্যাবাজার সড়ক সংস্কার বন্ধ ৪ মাস 

খোরশেদুল ইসলাম, পেকুয়া:

‎কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে ঠিকাদারের কাজ ফেলে চলে যাওয়ার অভিযোগে প্রায় এক কিলোমিটার সড়কে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। চার মাস ধরে সংস্কারকাজ বন্ধ থাকায় সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এতে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি রোগী, ব্যবসায়ী, লবণবাহী গাড়ি, সিএনজি ও টমটম চালকদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। কোনোমতে হেলেদুলে চলছে গাড়ি। তবে বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয় এবং যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।

‎স্থানীয়রা জানান, মগনামা ইউনিয়নের সাতঘর পাড়া স্টেশন থেকে মিয়াজি পাড়া জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ করে পুরোনো ইট তুলে নেওয়া হয়। এরপর সংস্কারকাজ অসমাপ্ত রেখেই ঠিকাদার চলে যাওয়ায় এই এক কিলোমিটার অংশ এখন জনদুর্ভোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‎তথ্যমতে, সড়কের বেদেরবিল পাড়া থেকে সাতঘর পাড়া এবং মিয়াজি পাড়া জামে মসজিদ থেকে ফুলতলা পর্যন্ত অংশের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তবে মাঝের প্রায় এক কিলোমিটার অংশের কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় সড়কটি পুরোপুরি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

‎ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যাওয়া নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে রয়েছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। একপক্ষের দাবি, কাজ চলাকালে কয়েকজন ব্যক্তি ঠিকাদারকে কাজে বাধা দেন। এমনকি ঠিকাদার সড়কে লোহার নেট তৈরির কাজ করলেও বাধার মুখে তা খুলে ফেলতে বাধ্য হন।

‎অন্যদিকে, স্থানীয় আরেকটি পক্ষের অভিযোগ, ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানান। এরপরই ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে চলে যান।

‎অভিযোগ যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের কাজ বন্ধ থাকায় দিনশেষে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুর মুহাম্মদ বলেন, "কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় মানুষ ও শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। সড়কের দুই অংশের কাজ শেষ হলেও মাঝের অংশটি বাধার কারণে ঠিকাদার শেষ না করেই চলে গেছেন।"

‎ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালানো সিএনজি চালক রেজাউল করিম জানান, সড়কের দুই পাশে আরসিসির কাজ করা হলেও মাঝখানের অংশটি বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। বৃষ্টি হলে গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে।

‎স্থানীয় সমাজ সেবক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, "কাজ করতে গিয়ে ঠিকাদার অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন এমন অভিযোগ ছিল। পরে তিনি প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের কাজ অসমাপ্ত রেখেই চলে যান।"

‎মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুচ চৌধুরী জানান, ঠিকাদার সাতঘর পাড়া স্টেশন থেকে মিয়াজি পাড়া মসজিদ পর্যন্ত মাঝের অংশের কাজ ফেলে চলে যাওয়ার পর ওই অংশের টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর নতুন করে রি-টেন্ডার আহ্বান করেছে। আশা করা যাচ্ছে দ্রুতই কাজ শুরু হবে।

‎পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাজালাল বলেন, "ঠিকাদার মাঝের অংশের কাজ রেখে যাওয়ায় নতুনভাবে রি-টেন্ডার করা হয়েছে। খুব শিগগিরই কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।"

‎তবে পেকুয়ার সাধারণ বাসিন্দাদের একটাই দাবি—কাগজে-কলমে প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্ভব শেষ করে বাস্তবায়ন পর্যায়ে এনে সড়কটির নির্মাণকাজ যেন দ্রুত সম্পন্ন করা হয়।


This theme has been developed by OURISLABD.
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন