x

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

পেকুয়ায় নারকীয় হামলায় আহত নারী ব্যথায় কাতরাচ্ছে বিছানায়

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...



পেকুয়া প্রতিনিধি,

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের ধনিয়াকাটা এলাকায় গত ১৩ এপ্রিল বাড়ির সীমানা বিরোধের জেরে নারকীয় হামলা আহত নারী রুকেয়া বেগম (৪১) ব্যথায় কাতরাচ্ছে বিচানায়।  

ঘটনাটি ঘটে পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের ধনিয়াকটা এলাকায় বিগত ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায়।

হামলাকারীরা হলেন,একই এলাকার মৃত এলাহদাদের ছেলে হাবিবুর রহমান ও তার স্ত্রী হোসনে আরা।

নারকীয় হামলার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী রুকিয়া বেগমের স্বামী। অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করার পর ১ মাস পার হয়ে গেলেও মামলা হয়নি পেকুয়া থানায়।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল ছোট ভাইয়ের বাড়ির পাশে রুকেয়া বেগম তার ক্ষেতে কাজ করতে যায়। কাজের ফাঁকে বাড়ির সীমানা টেংরা মেরামত করারত ছোট ভাইয়ের কাছে যাওয়া মাত্রই ছোট ভাইয়ের প্রতিবেশি পূর্ব শত্রু হাবিবুর রহমান ও তার স্ত্রী হোছনে আরা বেগম এসে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়। ঐদিন বিকেলে সাবেক মেম্বার রুস্তম আলীকে ডেকে আনে তাদের হুমকির বিষয়ে অভিযোগ জানাতে। সাবেক মেম্বার রুস্তম আলী অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানের উঠানে বসে।

 এতে হাবিবুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে রুকেয়া বেগমের উপর দা নিয়ে মাতার উপর আঘাত করার সময় হাত দিয়ে ঠেকালে দায়ের কাঁদার আঘাতে ডানহাত ভেঙ্গে যায়। দেখতে পেয়ে রুস্তম মেম্বার ও  স্থানীয়রা এগিয়ে এসে উদ্ধার করে পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কর্তব্যরত চিকিৎসক রুকেয়া বেগমের আঘাত গুরুতর হওয়ায় চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করেন। ঘটনার পরপর পেকুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পেকুয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) সোহেল রানা ঘটনাস্থলে সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করে আসার ১ মাস পার হলেও মামলা হয়নি পেকুয়া থানা। 

আহত রুকেয়া বেগম জানান, গত ১৩ এপ্রিল ছোট ভাইয়ের বাড়ির পাশে আমার ক্ষেতে কাজ করতে যাই। কাজের ফাঁকে বাড়ির সীমানা বেড়া (টেংরা) মেরামত করারত ছোট ভাই মিনারের কাছে যাওয়া মাত্রই ছোট ভাইয়ের প্রতিবেশি হাবিবুর রহমান ও তার স্ত্রীর হোছনে আরা বেগম এসে আমাদেরকে গালাগালি করে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়। 

ঐদিন বিকেলে সাবেক মেম্বার রুস্তম আলীকে ডেকে এনে তাদের হুমকির বিষয়ে অভিযোগ জানাই। সাবেক মেম্বার রুস্তম আলী এসে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানের উঠানে বসে। এতে হাবিবুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে আমার উপর দা নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাতার উপর আঘাত করার সময় আমি হাত দিয়ে ঠেকালে দায়ের কাঁদার আঘাতে ডানহাত ভেঙ্গে যায়। এ সময় আমি মাঠিতে পড়ে গেলেও মারধর করতে থাকে। দেখতে পেয়ে রুস্তম মেম্বার ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে উদ্ধার করে আমাকে পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার হাতের আঘাত গুরুতর হওয়ায় চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করেন। ঘটনার পরপর  আমার স্বামী বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

 অভিযোগ পেয়ে পেকুয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) সোহেল রানা ঘটনাস্থলে সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করে আসার ১ মাস পার হলেও মামলা নেয়নি থানা। হাতের ব্যথায় বিচানায় কাতরাচ্ছি আমি। জানিনা এ হাত ভাল হয় কি না। আমার উপর হামলাকারী হাবিবুর রহমান ও হোসনে আরার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই প্রশাসনের কাছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সোহেল রানা বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করে ওসি মহোদয়কে অবহিত করেছি। তারা স্থানীয়ভাবে আপোষ মিমাংসার কথা বলে সময় নিয়েছিল বিধায় মামলার প্রক্রিয়ায় যাওয়া হয়নি।

This theme has been developed by OURISLABD.
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন