নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অধীনে প্রায় ৬.৫ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক দুর্নীতি ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার আসাদ উল্লাহর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ উঠেছে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের 'বেদারবিল পাড়া থেকে ফুলতলা' পর্যন্ত নির্মাণাধীন আরসিসি (RCC) ঢালাইয়ের কাজ নিয়ে, কাজ শেষ হওয়ার আগেই সড়কের মাঝখানে ফাটল দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখে জানা গেছে, নির্মাণাধীন এই আরসিসি ঢালাইয়ের কাজে নিম্নমানের পাথর, রড (লোহা), সিমেন্ট ও বালুসহ নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে, যার প্রত্যক্ষ ফলস্বরূপ কাজ শেষ হওয়ার আগেই সড়কে ফাটল ধরেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বেশ কিছু অনিয়ম করেই আরসিসি(RCC) ঢালাইয়ের দিচ্ছে বলে,মোঃ আবু তালেব, জিয়াউল হক জিয়া, সাইফুল সহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করে জানান:
"জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে,যার মধ্যে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণেই সড়কে ফাটল দেখা দিয়েছে। দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না, ফলে তারা যেন তেন ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
অভিযুক্ত ঠিকাদার আসাদ উল্লাহর কাজের দায়িত্বে থাকা নাছির উদ্দীন বলেন,আমরা ভালোভাবে কাজ করছি,তবুও দুই এক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছি এগুলো আমাদের মতো করে ঠিক করে নিয়েছি বাকি কাজগুলো করার সময়ে আরো নিখুঁতভাবে কাজ করবো। এমনকি কক্সবাজার থেকে কাজের তদারকি জন্য যারা আসছিলেন তারাও এটার তাগিদ দিয়েছেন।
পেকুয়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী শাহ জালাল জানান.তিনি ফাটল দেখা দেওয়ার কারণ হিসেবে অধিক তাপমাত্রা এবং পানি ধরে রাখার বাঁধ টিকিয়ে রাখতে না পারাকে দায়ী করেছেন।
তবে তিনি বলেন, "এ বিষয়ে আমি খবর নিচ্ছি, এরপর ঘটনা সত্য হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেব।





