পেকুয়া প্রতিনিধি-
কক্সবাজারের পেকুয়ায় নদীর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই পুনরায়
অবৈধভাবে নির্মীত পাকা দোকান ঘর আবারো নির্মাণের কাজ চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সড়ক ও সরকারি জায়গা দখলমুক্ত রাখতে পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। অভিযানের সময় দোকানঘর ভেঙে ফেলা হলেও পরে আবারও একই স্থানে স্থায়ীভাবে পাকা দোকান নির্মাণ করা হয়।
বারবাকিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস সুত্রে জানা যায়, শিলখালী ইউনিয়নের মাঝের ঘোনা এলাকার সৌদি প্রবাসী আবদুল শুক্কুর ভোলা খালের জায়গা দখল করে পাকা দোকান নির্মাণ কাজ করে আসছিল। খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে বারবার নিষেধ করা হলেও তিনি নিষেধ অমান্য করে অবৈধভাবে পাকা দোকান নির্মাণ কাজ চলমান রাখে। পেকুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে পাকা দোকান ঘরের পিলার ও অবকাঠামো ঘুড়িয়ে দেয় সাবেক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুর পেয়ারা বেগম।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার উচ্ছেদের পরও পুনরায় দোকান নির্মাণের ফলে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে না বলেও মনে করছেন অনেকেই। এভাবে হতে থাকলে সরকারি এবং নদীর জায়গা সব দখল হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ এস এম নুরুল আখতার নিলয় জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। খবর পেয়ে অবৈধভাবে পুনরায় দোকান নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হবে।





