x

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় পুরোদমে জমে উঠেছে কুরবানির পশুর হাট।

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


 

Conversation with Gemini

উপজেলার পেকুয়া বাজার, বারবাকিয়া সওদাগর হাট, আরবশাহ বাজার, সবুজ বাজার, বাঘগুজারা বাজার, টইটং বাজার ও কাজি মার্কেটসহ অন্তত ১০টি পশুর হাটে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভিড় করছেন। এর বাইরেও আরও ৪ থেকে ৫টি স্থানে অস্থায়ী বা ভাসমান পশুর হাট বসেছে।

হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, স্থানীয় খামারিদের পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকেও ব্যবসায়ীরা বিপুল পরিমাণ পশু নিয়ে এসেছেন। ছোট, মাঝারি ও বড়—সব আকারের গরু ও ছাগলের দাম নিয়ে চলছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের দর-কষাকষি। তবে গত বছরের তুলনায় এবার বাজার কিছুটা ক্রেতাবান্ধব ও দাম সহনীয় বলে মনে করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

হাটে আসা গরু ব্যবসায়ী রিয়াজ উদ্দিন জানান, এবার বাজারে দেশীয় গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ক্রেতারা বেশ আগ্রহ নিয়ে পশু দেখছেন এবং শেষ মুহূর্তে বিক্রি আরও বাড়বে বলে তিনি আশাবাদী।

বাঁশখালীর ছনুয়া থেকে গরু কিনতে আসা গিয়াস উদ্দিন বলেন, "হাটে অনেক ভালো মানের গরু এসেছে এবং দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা সহনীয় মনে হচ্ছে।" চন্দনাইশ থেকে আসা কলেজ শিক্ষার্থী সাইমন মেহরাজ পিয়ারু ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকায় একটি গরু কিনে নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার হাসিলও (টোল) কিছুটা কম।

অন্যদিকে, ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দামের একটি গরু ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকায় কেনা শামসুল আলম বাজারে দালালদের অতিপ্রভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "দালালদের দৌরাত্ম্যের কারণে শান্তিতে কেনাকাটা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দালাল ছাড়া গরু-ছাগল কেনাই যাচ্ছে না।"

এদিকে ছাগলের বাজারেও রয়েছে ভালো ভিড়। বারবাকিয়া সওদাগর হাটে ছাগল বিক্রি করতে আসা করিমদাদ জানান, এবার ছাগলের দাম মোটামুটি ভালো। তিনি তার আনা ৪টি খাসির মধ্যে একটি সাড়ে ২১ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।

বারবাকিয়া সওদাগর হাটের হাসিল আদায়কারী ইলিয়াস জানান, হাটে পর্যাপ্ত পশুর সরবরাহ রয়েছে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেশ ভালো। ক্রেতা-বিক্রেতারা কোনো ঝামেলা ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে বেচাকেনা করতে পারছেন।

উপজেলার সবচেয়ে বড় হাট পেকুয়া বাজারের হাসিল আদায়কারী জিয়াউল হক বলেন, "প্রতিদিন হাটে মানুষের উপস্থিতি বাড়ছে। ঈদে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। আশা করছি, ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি তত জমজমাট হবে।"

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে জমে ওঠা এসব পশুর হাট উপজেলার অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পশুর ভালো দাম ও বেচাকেনাকে কেন্দ্র করে খামারি, ব্যবসায়ী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মাঝেও ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

প্রয়োজনে আপনার পত্রিকার নাম বা নিজস্ব কিছু তথ্য এখানে যুক্ত করে নিতে পারেন। নিউজটি কেমন হলো জানাবেন!

This theme has been developed by OURISLABD.
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন